প্রাচীন আইন ॥ পর্দা প্রথা ॥ তুষার মুখার্জী

ঠিগলাথ পাইলেসার'----বৃটিশ মিউজিয়ামে সংরক্ষিত


আইন তৈরী হয় মানব সমাজে শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য। কিন্তু তার সাথে এটাও ঠিক যে সমাজের ক্ষমতাশালী জন বা জনগোষ্ঠীই আইন প্রণয়ন করে। ফলে সব আইনে কিছুটা হলেও বিশেষ ব্যাক্তি বা জনগোষ্ঠীর ইচ্ছা ও উদ্দেশ্য পূরণের গল্প থাকে।

আইন প্রণয়নে ক্ষমতাশালীর যথেচ্ছাচারের সম্ভাবনা থাকলেও এর মূল উদ্দেশ্য কিন্তু মহৎ। তা হল সমাজের দুর্বল বা সবল সবার জন্য আইনের প্রয়োগ সমান হবে, যাতে সমাজের দুর্বলেরা সবলের দ্বারা অত্যাচারিত না হয়। বা অপরাধী ক্ষমতাবান হলেও দুর্বলের প্রতি অপরাধ করে রেহাই না পায়। সমাজের শাসক সেটা নজরে রাখবেন। অন্তত হাম্মুরাবি তাঁর আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যকে সে ভাবেই ব্যখ্যা করেছেন। বলেছেন একজন বিধবা বা একজন অনাথও যাতে পীড়িত না হয় সেই উদ্দেশ্যে তিনি এই আইন পাথরে খোদাই করে গেলেন।
কিন্তু সবার আগে জানা ও বোঝা দরকার আইনের উৎসকে। আইন শূন্য থেকে উদ্ভব হল, বা আচমকা কারুর মাথায় কিছু, এল তা আইন হয়ে গেল সাধারনত তেমনটা হয় না। সাধারন ভাবে সমাজে বিভিন্ন প্রচলিত প্রথাই আইনে পরিণত হয়।
খেয়াল খুশী বা উদ্দেশ্যমুলক আইন হতে পারে না এমন নয়, তা তো হয়ই। তবে সাধারন ভাবে প্রচলিত প্রথাই আইনের ভিত্তি। সমাজে কোন প্রচলিত প্রথা সমাজের ক্ষমতাশালী জনের মনের মত হলে তা দ্রুত আইন হয়ে যায়। যাতে সেই ইচ্ছা পুরণে কোন ওজর আপত্তি না দেখা দেয়।
এর খারাপ দিকটা হল, এমনভাবে  প্রণিত আইন সবসময় সর্ব-জনহিতকর বা সর্ব-জনপ্রিয় নাও হতে পারে। কোন শাসক জনগোষ্ঠী তাদের আপন সমাজের প্রচলিত প্রথা সবার ঘাড়ে চাপিয়ে দেবার চেষ্টা করতেই পারে। বহুজাতিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় এমন অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা সর্বাধিক। আজকের আলোচ্য আইনে তেমনই ঘটনা দেখা যাবে।

একটি জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি গড়ে ওঠে তাদের অতীতে। তারপরে তা বহন করে চলে পরবর্তী প্রজন্মগুলো তাদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসাবে। 
“ঐতিহ্য হল নির্দ্দিষ্টকালে সৃষ্ট সাংস্কৃতিক চারিত্রিক বৈশিষ্ট, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বহমান। চারিত্রিক বৈশিষ্টের বিশিষ্টতার সূত্রপাত হবে ভৌগোলিক পরিবেশের প্রয়োজনের সাথে খাপ খাইয়ে। একবার তা নির্দ্দিষ্ট হয়ে গেলে তার নিত্য ব্যবহার অভ্যাসে পরিবর্তিত হয়। সেই চারিত্রিক বৈশিষ্ট অভ্যাসের মাধ্যমে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে উত্তরাধিকার সূত্রে বহমান থাকে।“ (হা ভ্যান ট্যানঃ১৯৭৬. ভিয়েতনামের প্রত্নতত্ত্ববিদ-ইতিহাসবিদ ও বৌদ্ধ ধর্ম বিশেষজ্ঞ)।

আজকের লেখা মুলত নির্দিষ্ট কালে সৃষ্ট সামাজিক চারিত্রিক বৈশিষ্ট নিয়ে। যে বৈশিষ্ট ক্ষমতার পরাক্রমে আইনে পরিনত করে বাধ্য করা হয়েছিল একটি সাম্রাজ্যের সবর্স্তরের সকলের অভ্যাসে পরিণত করতে। ফলে যা পরবর্তী কালে অনেকের কাছেই তাদের ঐতিহ্য বলে মনে হতে থাকে। এবার এই ঐতিহ্যের সাথে যদি ধর্ম ও ধর্মীয় রাজনীতির বাধ্য বাধকতা এবং টানাপোড়েনের মিশেল হয় তখন তার উৎসকে খুঁজে পাওয়া সুকঠিন।

 পর্দা প্রথা
পর্দা প্রথা। সাধারন বোধে নারীর আব্রু রক্ষার পদ্ধতি। তা আমাদের প্রায় গোটা ভারতে মেয়েদের ঘোমটা দেওয়া থেকে এই আব্রু বোধ হয়ত অনেকটাই বোধগম্য। সাথে থাকছে মুসলিমদের হিজাব, নেকাব, বোরখা। এটুকু কিন্তু আপাত দৃশ্য। এর বাইরে আরো নানা অদৃশ্য পর্দা প্রথা রয়েছে সমাজের স্তরে স্তরে।

যেমন একটি মেয়ে ও একটি ছেলে দিনের আলোর পরে একত্র থাকায় আপত্তি বা নিরালায় বসায় আপত্তি, হাত ছোঁয়া এমনকি কথা বলাতেও রয়েছে বিধি নিষেধ। এবং এগুলোকেও পর্দা প্রথার অঙ্গ বলা হচ্ছে। তার সাথে বলা হচ্ছে এ সবই ঐতিহ্য। এসবই ধর্মের জাতির বেড়া টপকে চুঁইয়ে গেছে সমাজের প্রতিটি স্তরে। ক্রমে আমরা ভাবতে শিখে গেছি এ হল আমাদের ঐতিহ্য।

সহজ বোধ্যে এই প্রথাগুলো হা ভ্যান ট্যানের সংজ্ঞা মেনে ভৌগোলিক পরিবেশের থেকে উদ্ভুত অভ্যাস থেকে গড়ে ওঠা ঐতিহ্য নয়। কারন এই প্রথাগুলো ভৌগোলিক পরিবেশ থেকে গড়ে ওঠার কথাই নয়। এগুলো সামাজিক সম্পর্ক রক্ষার প্রথা থেকে আসা। যা হয়ত কোন এক সমাজের ক্ষমতাশালীরা কোন অজ্ঞাত কারনে চাপিয়ে দিয়েছিল, কোন এক সুদূর অতীত কালে।
খোঁজা যাক, কোথায় বা কোন সমাজে এই পর্দা প্রথার জন্ম? অবশ্যই সঠিক বলা খানিকটা হলেও কঠিন। তবে একটি সূত্র আছে উৎসকে জানার। তা হল প্রাচীন মেসোপটেমিয়া। আমাদের সৌভাগ্য, মেসোপটেমিয়াতে তারা সব লিখে রাখত। তাই তাদের লেখা থেকে তিন চার হাজার বৎসর পেছনে ফিরে দেখা অনেকটাই সহজসাধ্য।

মেসোপটেমিয়ার আইন ছিল লিখিত আইন। কাজেই কোন বিতর্কের সৃষ্টি না করেই আমরা সেগুলো নিয়ে আলোচনা করতে পারি।
মেসোপটেমিয়া এক সময় ছিল আসিরীয়দের অধীনে। সেমেটিক জাতি এই আসিরীয়দের ছিল দীর্ঘকালীন বিশাল সাম্রাজ্য। ফলে খুব স্বাভাবিক ভাবে তারা তাদের নিজস্ব আইনকানুন রচনা করেছিল। আর সেই আইন প্রণয়নের সময় তারা তাদের নিজস্ব সামাজিক প্রথা অন্যদের অনুসরণ করতে বাধ্য করেছিল। 

আসিরীয় আইনেই আমরা প্রথম দেখতে পাই পর্দা প্রথার উল্লেখ।
আসিরীয় আইনে পর্দা প্রথার সূত্রপাত। এবং সেই আইন পালনের কঠোরতা বলে সে আইন খুব একটা প্রচলিত অথবা জনপ্রিয় ছিলো না। 
এই আইনগুলো দেখলে বোঝা যাবে এটি নারী সুরক্ষা বা নারী আব্রু রক্ষার চেয়ে জোর দেওয়া হয়েছে নারীদের শ্রেণী ভেদে। কোন বিশেষ শ্রেণীর নারীর বিশেষ চিহ্ন ধারনের প্রথা আগেকার সুমেরদের ও আক্কাদদের আমলেও ছিল। তবে তা ছিল কেবল মাত্র দাসীদের চুল রাখা-বাঁধার রকমের তফাতে। যাতে দাসী আর মুক্ত নারী সহজে বোঝা যায়। এবং অবশ্যই যাতে কোন দাসী পালালে তাকে ধরে ফেলা সহজ হয়।

কিন্তু আসিরীয় আইনে সেদিকে তেমন নজর ছিলো না। আইনে মুখ ঢাকা চুল ঢাকার অধিকার ছিল কেবল মুক্ত নারীদের ও অবশ্যই সাধারন গৃহস্থদের। গণিকাদের মুখ ঢাকা ছিলো কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ। 
ফলে অনুমান করা যায় মুলত মুখ ঢাকা ছিল বিশেষ অধিকার এবং গৌরবের। একটি আইনে যেমন বলা আছে কোন পুরুষ তার উপপত্নিকে মুখ ঢাকার অধিকার দেবেন বেশ কয়েকজন নিমন্ত্রিত ব্যক্তির সামনে। যেখানে উপপত্নিকে বৈধ বিবাহিত পত্নির মর্যাদা দেওয়া হল বলে পুরুষ ব্যক্তিটি ঘোষণা করবেন।
আরেকটি বৈশিষ্ট হলো মাথা ঢাকা মুখ ঢাকার অধিকার ছিল কেবল বিবাহিতদের। একদম বর্তমান ভারতে বিবাহিতা মহিলাদের ঘোমটা দেবার অধিকারের মতই। চাপানো নিয়মকে গৌরবান্বিত করা হয়েছে, যাতে পালনে বিরোধিতা কমে যায়।

সমাজ পরিবর্তনশীল। তাই সামাজিক প্রথা এবং আইনও পরিবর্তনশীল হতে বাধ্য। এই পরিবর্তনের একটুখানি ছাপ পাবো পরবর্তী আসুরীয় আইনেই। টিগলাথ পাইলেসর-এর আমলে। এখানে দেখতে পাবো নারী আর পুরুষের মধ্যে কথা বলার সময়ও কতটা দুরত্ব রাখতে হবে তা বলে দেওয়া হয়েছে। এবং অপরিচিত পুরুষ নারীদের, বিশেষ করে প্রাসাদের নারীদের যাতে মুখোমুখি না হয় তারও আইন করা হয়েছে। আর হ্যাঁ এই আইনে যা মুলত প্রাসাদের প্রশাসনিক আইন, তাতে প্রথমবার দেখতে পাবো খোজাদের প্রাসাদ রক্ষীর ভুমিকায়।


নীচে আইনগুলো থাকলো। এগুলো আক্কাদ লিপিতে আসিরীয় ভাষায় লেখা আইনের ইংরেজী অনুবাদের দুর্বল বঙ্গানুবাদ। অনুবাদে ভুল থাকবেই। সেটাতে খুব অসুবিধা হবার কথা নয়। কারন আমাদের দরকার শুধু একটা ধারনার সৃষ্টি করা।

॥আইনঃ এ-৪০॥ 
শহরের জনবহুল রাস্তায় বের হবার আগে কারুর স্ত্রী, বিধবা, কন্যা মাথা ঢেকে রাথবে। দিনের বেলায় রাস্তায় চলার সময় মুখ ঢেকে রাখবে। উপপত্নি যদি বৈধ স্ত্রীর সাথে রাস্তায় বের হয় তবে সেও মুখ ঢেকে রাখবে। সন্তানহীনা স্ত্রী রাস্তায় বের হলে মুখ ঢেকে রাখবে। তবে অবিবাহিতা নারী রাস্তায় মাথা আ-ঢাকা রাখবে।

গণিকা মুখ ঢাকবে না, মাথাও খোলা রাখতে হবে।

কোন গণিকাকে মুখ ঢাকা দেখলে, তাকে ধরে, সাক্ষী যোগাড় করে, রাজপ্রাসাদে নিয়ে আসতে হবে।
প্রাসাদ দ্বাররক্ষীরা গণিকার গয়না নিতে পারবে না, কিন্তু যে ধরেছে সে পুরস্কার বাবদ গণিকার পোষাক খুলে নিয়ে নেবে। রক্ষীরা অপরাধী গণিকাকে ৫০ঘা লাঠি মারবে ও তার মাথায় পিচ ঢেলে দেবে।
যদি কোন লোক মুখ ঢাকা গণিকাকে দেখেও ছেড়ে দেয়, শাস্তির জন্য প্রাসাদে নিয়ে না আসে তবে তাকে ৫০ঘা লাঠি মারা হবে।
যে এই অপরাধির খবর দেবে সে অপরাধীর পোষাক নিয়ে নেবে, আর তার দুই কান ফুটো করে মোটা সুতো দিয়ে পেছন দিকে বেঁধে দেবে। এছাড়াও অপরাধীকে একমাস রাজার কাজ করতে হবে।

দাসীদের মুখ ঢাকতে হবে না। মুখ ঢাকা দাসীকে দেখলে ধরে সাক্ষী সহ প্রাসাদে নিয়ে আসতে হবে। প্রাসাদে তার কান কেটে নেওয়া হবে। আর যে ধরে এনেছে সে দাসীর পোষাক নিয়ে নেবে।

যদি মুখ ঢাকা দাসীকে দেখেও কেউ তাকে শাস্তির জন্য প্রাসাদে না আনে তবে তার শাস্তি হবে ৫০ঘা লাঠি ও তার কান ফুটো করে মোটা সুতো দিয়ে মাথার পেছন দিকে বেঁধে রাখা হবে। আর তাকে এক মাস রাজার কাজে নিযুক্ত থাকতে হবে। যে এই অপরাধের কথা জানাবে সে অপরাধীর পোষাক নিয়ে নেবে পুরস্কার হিসাবে।

॥আইনঃ A-r ৪১॥
যদি কেউ তার উপপত্নীর মুখ ঢাকাতে চায় তবে তাকে কয়েকজনকে ডেকে সবার সামনে ঘোষণা করতে হবে এই নারী এখন থেকে আমার বিবাহিতা স্ত্রী। এই ঘোষণা করলে তবেই উপপত্নী বিবাহিতা স্ত্রীর মর্যাদা পাবে। যে উপপত্নীর পুরুষ সবার সামনে এই বিবাহিতা স্ত্রী কথাটি ঘোষণা করবে না, সে সব সময়ই উপপত্নীই হয়ে থাকবে। পুরুষ মারা গেলে উপপত্নীর সন্তানেরা কিন্তু মৃত পুরুষের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হতে পারবে।

রাজ সভা ও প্রাসাদের আইন।
আসিরীয় রাজা টিগলাথ পাইলেসর (Tiglath-pileser) এর আমলের আইন।

॥আইন-২১॥
বিশ্বের অধিপতি, আসুর-রেসা-ইশি র পুত্র, আসিরীয় রাজা এই আদেশনামা জারি করলেন- এই আদেশনামা কার্যকরী করার দায়িত্ব প্রাসাদ রক্ষী-প্রধানের। এই আদেশনামার অন্তর্গত কোন অপরাধ যদি রক্ষী-প্রধান শুনেও যথাযথ শাস্তি দেবার ব্যবস্থা না করেন তবে রক্ষী-প্রধানই শাস্তি যোগ্য দোষে দোষী সাব্যস্ত হবেন।

যদি রক্ষী-প্রধানের অধীনস্থ কর্মচারীরা গোটা প্রাসাদ ঘুরে দেখে প্রতিটি ঘটনার যথাযথ তদন্ত না করে. আর পরে রাজার কানে এমন কোন অপরাধের কথা যায় যা রক্ষী–প্রধান বা তার অধীনস্থরা অবগত নয়, তবে রাজা রক্ষী-প্রধানকে যথাযোগ্য শাস্তি দেবেন।

রাজকীয় খোজা বা সভার কর্মী বা সেবকদের মধ্যে কেউ প্রাসাদের কোন নারীকে গান করার সময়ে, বা সাথীদের সাথে ঝগড়া করার সময় আড়াল থেকে শোনে তবে তার শাস্তি একশ ঘা লাঠি, আর একটি কান কেটে নেওয়া হবে।

খোলা কাঁধ, সামান্যতম বস্ত্র দিয়ে ঢাকা নেই, এমন অবস্থায় "এখানে এসো আমি তোমাকে কিছু আদেশ দিতে চাই" বলে ডাকা কোন প্রাসাদ রমনীর ডাকে সাড়া দিয়ে, যদি কোন প্রাসাদকর্মী সেই নারীর সাথে কথা বলার চেষ্টাও করে, তবে তার শাস্তি ১০০ঘা লাঠি মেরে তার পোষাক খুলে বস্তা পরিয়ে দেওয়া। যে এই অপরাধের খবর দিয়েছে সে অপরাধীর পোষাক নিয়ে নেবে পুস্কার হিসাবে।

সভার কোন কর্মী যদি কোন নারীর সাথে কথা বলতে চায় তবে তাকে সাত পা দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। প্রাসাদে জল ছেটানোর দায়িত্বে থাকা কর্মী যদি দেখে যে প্রাসাদের নারীরা বাস কক্ষের দরজায় দাঁড়িয়ে আছেন, তবে জল ছেটানোর দায়িত্বে থাকা কর্মী প্রাসাদ-রক্ষী-প্রধানকে খবর দেবে। প্রাসাদ রক্ষী প্রধান নারীদের ভেতরে সরিয়ে নেবার ব্যবস্থা করবে।
ঠিগলাথ-পাইলেরসারের আসিরীয় সাম্রাজ্য


তথ্যসূত্রঃ-
১. Law Collections from Mesopotamia and Asia Minor_ by T. Roth. (1995)
২. Everyday Life in Babylonia and Assyria. By H W F Saggs. (1965)
৩. Misc Other minor sources.

Post a comment

0 Comments