বুধবার, ২৪ মে, ২০১৭

অঞ্জলি লহ মোর || শুক্লা পঞ্চমী

(বিদ্রোহী কবি নজরুলের জন্মদিনে আমাদের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধার্ঘ)


কে তুমি, উল্কার বেগে ছুটেছিলে ধূমকেতুর আঙিনায়?
ক্ষেতের পর ক্ষেত পাড়ি দিয়ে দুর্ভেদ্য মহাকালের সীমানায়।
যুগের সারথি তুমি দু'পায়ে দলেছিলে দুর্বার দাবানল।

বিদ্রোহী হৃদয়ের ভস্মিত পথে আসমান ছুঁয়েছিলে লেখনীর বিসর্গ ছোঁয়ায়।
তোমার জয়রথ অন্ধকারের ধ্বংস যজ্ঞ পাড়ি দিয়ে পৌঁছেছিল স্রষ্টার নৈবদ্যের অর্ঘ্যথালায়।

কি আরতি গেয়েছিলে সেদিন? হিল্লোলে কল্লোলে ছায়ানটের সংগীত সন্ধ্যায়।
বিমর্ষ ক্রন্দনে অজানা কক্ষপথে বেজেছিল অগ্নিবীণা।
খুঁজে খুঁজে শংকিত কৃষ্ণকায়া ছুটে এসেছিল,
তোমার বিষের বাঁশিতে, তুলেছিল নীহারিকার সুর,
সেই কালপুরুষ!
ধ্রুবজ্যোতির চিহ্নিত রূপ।
শৃঙ্খলিত সমাজের কণ্ঠনালী ধরে ছুঁড়ে ফেলেছিলে লাঞ্ছিত বিষাদের কৃষ্ণ গহবরে।

হায় পূর্ণিমা, মুছে দিতে পারোনি চক্রপরিক্রমায় অমানিশার মায়াবী অধিষ্ঠান।
কালের বিপাকে তপ্তদাহে নীল তারার সাথে দুলিয়েছিলে সাগরের ঢেউ।

নরম পূর্ণিমার মন্থন অভিলাষে নীলকণ্ঠ ধারন করেছিলে সঞ্জীবনী সুধায়।
তুমিই সেই আরণ্যক,
দখিনা মলয়ের সাথে গেঁথেছিলে শুভ্র অপরাজিতার মালা।
উদ্বায়ী দোলায় স্পন্দিত ছন্দে গেয়ে উঠেছিলে উর্বশী সংগীত
 " আমায় নহে গো ভালোবাসো শুধু, ভালোবাসো মোর গান"

কোন মন্তব্য নেই:

অযাচিত বাক্যব্যয়...! পর্ব: পন্ডিচেরি'র "অরভিল মাতৃমন্দির" ভ্রমণ-দর্শন...!।। সব্যসাচী সরকার

আমার ভ্রমণ অভিজ্ঞতার জগৎ নেহাতি খুবই ক্ষুদ্র পরিসর জুড়ে; সময়, সুযোগ আর সামর্থ্য- এ ত্রয়ীর মেলবন্ধন আমার জন্য স্বভাবতই কষ্টসাধ্য, কিন্ত...